Skip to main content

Featured

বিষ্ষাশতো অ্যপ সুখোবোর সুখোবর....

  বিষ্ষাশতো অ্যপ সুখোবোর সুখোবর.... https://app.macvz.com/static/app/#/pages/user/register?invite_code=HAUC82/p> ⚡ অল্প ইনভেস্টে দৈনিক ইনকাম — ইনকাম সহ উত্তোলন করুন পুরো লাভ! ✅ ১০০% বিশ্বস্ত অ্যাপ | 🔐 নিশ্চিন্তে ইনভেস্ট করুন | 📲 ইনকাম উঠিয়ে নিন যেকোনো সময়! আপনি কি প্রতিদিন ঘরে বসে ইনকাম করতে চান? তাহলে এই সুযোগ একদম আপনার জন্য! এখানে রয়েছে একাধিক লাভজনক প্যাকেজ — ⏳ ২ দিন থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত মেয়াদ! ⏱ প্রতিদিন নির্দিষ্ট ইনকাম আপনার একাউন্টে জমা হবে অটোমেটিক! 🎯 ইনভেস্ট প্ল্যান ও লাভের হিসাব: 💸 ৳300 ইনভেস্ট ➤ প্রতিদিন ৳30 × 2 দিন = ৳60 লাভ ➡️ মোট উত্তোলন: ৳360 (৳60 লাভ) 💸 ৳1,500 ইনভেস্ট ➤ প্রতিদিন ৳60 × 10 দিন = ৳600 লাভ ➡️ মোট উত্তোলন: ৳2,100 (৳600 লাভ) 💸 ৳6,500 ইনভেস্ট ➤ প্রতিদিন ৳195 × 30 দিন = ৳5,850 লাভ ➡️ মোট উত্তোলন: ৳12,350 (৳5,850 লাভ) 💸 ৳15,000 ইনভেস্ট ➤ প্রতিদিন ৳465 × 120 দিন = ৳55,800 লাভ ➡️ মোট উত্তোলন: ৳70,800 (৳55,800 লাভ) ✨ বোনাস ইনকাম সিস্টেম (রেফার কমিশন): 👥 A লেভেল ➤ ১০% ইনকাম 👤 B লেভেল ➤ ৩% ইনকাম 👤 C লেভেল ➤ ২% ইনকাম টিম বানিয়ে ঘরে বসেই ইনকাম নিন প্রত...

বিদেশি সিনেমায় ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের...

 বিদেশি সিনেমায় ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের...

br />



যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত নয়, এমন সিনেমার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের: ‘আমেরিকার সিনেমা শিল্পকে বাঁচাতে হবে’
বিবিসি বাংলা | ১৪ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত নয় এমন সকল বিদেশি সিনেমার ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। তাঁর মতে, এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য আমেরিকার সিনেমা শিল্পকে রক্ষা ও পুনরুজ্জীবিত করা, যা তিনি ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির মুখে’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা আমেরিকায় বানানো সিনেমাকে আবার মহান করতে চাই।” সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ পোস্ট দিয়ে তিনি জানান, ইতোমধ্যেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিকে এই শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

‘বিদেশি ষড়যন্ত্রে’ সিনেমা শিল্প বিপন্ন?

ট্রাম্প দাবি করেন, বিশ্বজুড়ে কিছু দেশ ‘সমন্বিত প্রচেষ্টায়’ কাজ করছে, যাতে তারা নিজেদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে নানা প্রণোদনা দিয়ে শক্তিশালী করছে। তাদের এই প্রচেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক অসুবিধা তৈরি করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

“অন্যান্য দেশগুলো স্টুডিও ও নির্মাতাদের বিপুল অর্থনৈতিক সুবিধা দিচ্ছে, যার ফলে আমাদের নিজস্ব প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকতে পারছে না,” বলেন ট্রাম্প। তিনি একে ‘জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।



শিল্প সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া

ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই চলচ্চিত্র জগতের নানা মহল থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। হলিউডের কিছু প্রযোজক এবং পরিচালক এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, বলছেন এটি মার্কিন নির্মাতাদের জন্য একটি 'নতুন সূচনা' হতে পারে।

তবে অনেক বিশ্লেষক ও শিল্প-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরণের উচ্চ শুল্ক বিশ্ব চলচ্চিত্র বিনিময়ে একপ্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। "সিনেমা সর্বজনীন একটি শিল্প। এখানে জাতীয় সীমান্তের ধারণা খুবই দুর্বল," বলেন চলচ্চিত্র গবেষক রেবেকা ম্যাকনাইট।

অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত ও বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প একের পর এক বাণিজ্যিক শুল্ক আরোপ করে চলেছেন। লক্ষ্য একটাই—যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো।

তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, এসব পদক্ষেপ বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তারা আশঙ্কা করছেন, সিনেমার মতো সাংস্কৃতিক পণ্যেও যদি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়, তাহলে তা কেবল অর্থনৈতিক খাতে নয়, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও চলচ্চিত্র প্রতিষ্ঠানগুলো এই ঘোষণার পর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন মুখপাত্র বলেন, “সিনেমা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সংস্কৃতি বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। শুল্ক আরোপের মাধ্যমে এর ওপর কৃত্রিম বাধা তৈরি করা একটি ভুল পদক্ষেপ।”

ভবিষ্যৎ কী বলছে?

এই শুল্ক আরোপ কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, মার্কিন প্রেক্ষাগৃহে বিদেশি সিনেমার পরিবেশনা, এমনকি অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, হুলুর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে হয়তো নতুন করে লাইসেন্সিং ও কর কাঠামো বিবেচনা করতে হতে পারে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখনই একে একটি দীর্ঘমেয়াদী রণনীতি হিসেবে দেখছে। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানান, “এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো—যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করে তোলা।”

ppp



Comments